প্রবাহ ডেস্ক: নিন্মমানের কাজ করে সরকারি টাকা লুটপাটের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর রাতে চলে সড়কের কার্পেটিং কাজ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস আশিক ইমতিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ও ইঞ্জিনিয়ারদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানেও মিলেছে অভিযোগের সত্যতা।
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পীরের চর সড়কের ২.৭ কিলোমিটার রাস্তা কার্পেটিংয়ের কাজ যাচাই-বাছাই করে কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ১০ মিলিমিটারও পায়নি দুদক টিম। অথচ শিডিউল অনুযায়ী কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার দেওয়ার কথা।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) অভিযানের বিষয়ে দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক ঢাকা পোস্টকে বলেন, ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পীরের চর সড়কের ২.৭ কিলোমিটার রাস্তা কার্পেটিংয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস আশিক ইমতিয়াজ এন্টাপ্রাইজ ও ইঞ্জিনিয়ারদের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তিন সদস্যের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।
তিনি বলেন, অভিযানে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র অনুযায়ী রাস্তার পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার থাকার কথা থাকলেও একজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে পরিমাপ করে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে কম পুরুত্ব পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের যথার্থতা রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে এনফোর্সমেন্ট টিম।
অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলার আগলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম ম ছিদ্দিক মিয়া এ বিষয়ে ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিডিউল অনুযায়ী কাজ হয়নি। আমরা প্রথম দিন থেকেই বাধা দিয়েছি। কিন্তু ঠিকাদার স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় তার প্রভাব দেখিয়ে নিন্মমানের কাজ করে গেছেন। আমরা এর প্রতিকার চাই
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর পীরের চর সড়কের ২ কিলোমিটার ৭০০ মিটার কার্পেটিং শুরু করে। এ কাজের চুক্তিমূল্য ছিল ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা।