বৃহস্পতিবার | ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ খবর :
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা নিয়ে ভবিষ্যত গড়তে চাই: মনোজ কুমার আগামী ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে গণভোট আইন: আইন উপদেষ্টা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা দরকার: প্রধান উপদেষ্টা রাজশাহীতে বিচারকের বাসায় ঢুকে ছেলেকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা, স্ত্রী গুরুতর আহত আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট: প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারির পর নির্বাচন মানুষ মেনে নেবে না: মির্জা ফখরুল রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ডেঙ্গুতে আরো ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৩৪ জন জাতীয় সংসদের অর্ধেক আসন চায় নারীরা
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্যের মন খারাপ: মেজর হাফিজ

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্যের মন খারাপ: মেজর হাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় উপদেষ্টা পরিষদের কোন কোন সদস্যের মন খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন। রাজশাহীতে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত বিজয় র‌্যালি শেষে পথসভায় তিনি একথা বলেন। বুধবার বিকেলে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রফেসর ইউনুসকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে আমাদের নেতা তারেক রহমানের সাথে প্রফেসর ইউনুস সাহেব বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি ওয়াদা করেছিলেন যে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিবেন। তিনি তার কথা রেখেছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রকৃত অর্থে আমরা একটি গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম। এই আন্দোলনে বিএনপির ৫০০ কর্মী শহীদ হয়েছে। এই আন্দোলনকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। যখন অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রফেসর ইউনুসের নেতৃত্বে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এক ধরণের উপদেষ্টা তারা বলার চেষ্টা করছে যে তারা ৫ বছরের জন্য এখানে এসেছে। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছে ইউনুস সাহেবের সরকার যতদিন দরকার চলুক। আর নির্বাচিত সরকারের কোন প্রয়োজন নাই। তাদের কারও কারও মতে রাজনৈতিক দলসমূহ এই দেশকে ধ্বংশ করেছে সুতরাং তাদের আর রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার কোন সুযোগ নাই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিএনপি জনগণের ভোটে ৪ বার ক্ষমতায় গিয়েছি। আমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কখনোই উদগ্রিব ছিলাম না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি দেশে যদি জনগণের নির্বাচিত সরকার না থাকে তাহলে এই দেশের উন্নয়ন হবে না। ১৯৭১ সালে আমরা মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা সারা দেশে মুক্তি যুদ্ধের সুচনা করেছিলাম। তখন যদি আমরা সৈনিকেরা ও ছাত্ররা পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করতাম তাহলে দেশ আজও স্বাধীন হতো না। ৭১ এর যুদ্ধ ছিল গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ। এই গণতন্ত্রকে ধ্বংশ করেছে আওয়ামী লীগের সরকার।’

‘দেখা যাচ্ছে দু-একটি দল যাদের জনসমর্থন নাই এদের মধ্যে কেউ কেউ ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। তারা জানে জনগণ তাদেরকে ভোট দিবে না। সেই জন্য তাদের মন খুবই খারাপ। নির্বাচন না দিলেই ভালো ছিল। তারা গত এক বছরে নির্বাচনের স্বাদ কিছুটা অনুভব করেছে। তারা চেয়েছিল এই ভাবেই তারা দিন কাটিয়ে দিবে।


ads



©2022 newsprobaha.com
Developed by- .:: SHUMANBD ::.